অনন্য মহীন
অনন্য মহীন

অনন্য মহীন

Author: সংকলন
Publisher: গুরুচন্ডালি
Product Code: am01292016
Availability: In Stock
Price: Rs.110
Qty:
   - OR -   

‘আমি আবার কাঁদব হাসব, এই জীবন জোয়ারে ভাসব, ... ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম আমার ঠিকানা’ – সলিলীয় এই গানটি, বাণীর দিক থেকে প্রায় যেন একই রকম কথা বলে। কিন্তু ভাব ও সুরে সলিলের এই গানে আছে তীব্র রোমান্টিক উদ্দীপনা, আর মহীনের ‘ফিরে আসব’তে সেই উদ্দীপনার জায়গা নেয় নিখাদ বিষণ্ণতা। এই বিষণ্ণতাই মহীন এবং সলিল চৌধুরির মধ্যের ছেদবিন্দু। এখানে দাঁড়িয়ে, ঠিক যেভাবে প্রায় একই কথা একদা সলিল নিজেই বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথকে, মহীন এবং তার পিতৃপুরুষ গৌতম চট্টোপাধ্যায় যেন সেই সুরেই সলিল চৌধুরিকে বলছেন, তুমি আমার পিতা, কিন্তু আমার পথ এবার আলাদা হল। কারণ আমার অন্ধকারের রঙও বদলে গেছে, আমার মধ্যে ঢুকে গেছে এই জীবনানন্দীয় বিষণ্ণতা। এখানে দাঁড়িয়েই জীবনানন্দ পরবর্তী সময়ে কাব্যের মধ্যে যে সুর, সেই সুর গানের মধ্যে ঢুকছে, তার কথার মধ্যে ঢুকছে। এর মধ্যে চিরন্তন ভালোবাসা, চিরন্তন বিচ্ছেদের সমস্ত দুঃখগুলো আছে, কিন্তু সেটা আর শুধু সাদা-কালোর দুঃখ নয়, এর মধ্যে আরও রং, অনেক শেড ঢুকে গেছে। এই উপচে পড়া বিষণ্ণতাই সেই জিনিয়াসের চিহ্ন, যার নাম মহীন।' 
দেবজ্যোতি মিশ্র
-----
আমরা যারা আনপড় পাবলিক, যারা একটু আধটু গুরুচণ্ডা৯ করি, নেটে যত্রতত্র উড়ে বেড়াই এবং পল্লবগ্রাহী বলে আখছার গাল খাই, মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পর্কে তারা শুধু এইটুকু জানি, যে, সত্তরের দশকের কোনো এক সময় ছাদভর্তি সদ্যোজাত আন্টেনার তারকাঁটায় কান্নিক খেয়ে উৎপটাং লাট্টুর মতো দুনিয়ার ছাদনাতলায় টপকেছিল এই অজানা উড়ন্ত বস্তুরা। ললিতলবঙ্গলতা-কাটিং ঝিনচ্যাক হিন্দি গানে যখন জগৎ কোমর দোলাচ্ছে, তখন তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছিল নিভন্ত নকশালবাড়ি, কোমরের খাপে আধখানা সলিল চৌধুরি, তেরো আউন্স বাউল এবং দু'ছিপি জ্যাজ ও কীর্তনের গলাজ্বালানো মিক্সচার। তাদের সৃষ্টিরহস্য ছিল যৌথতার ধূসরত্বে ডাকা, জীবনের বাঁদিকের বুকপকেটে জীবনানন্দ দাশ, ঈষৎ অধিকই ছিল বিষণ্ণতা। গানবাজনা হয়েছিল বিস্তর, তার চেয়েও বেশি উড়েছিল ক্ষ্যাপামির ধুলো, কারণ এই ধাবমান অশ্বগণের বগলের নিচে দু-পিস ইচ্ছেডানা থাকলেও, খুরে কোনো নাল ছিলনা।
আমরা, যারা ইন্টারনেটে চরে খাই, যারা ফুস করে পেরিয়ে এসেছি সত্তরের মৃত্যু উপত্যকা, দু-একটি পেরেস্ত্রোইকা ও সোভিয়েত পতনের শব্দ, যুগপৎ বার্লিনের পাঁচিল ও ওয়াই-টুকে টপকে দেখে নিয়েছি রূপকথার টুকটাক কেটে পড়া, তারা এও বিলক্ষণই জানি, যে, এসবই কুয়াশা তুলিতে আঁকা শহরতলির প্রাচীন অরণ্য প্রবাদ মাত্র। আদতে মহীনের ঘোড়াগুলি কী ও কেন, সে রহস্য এখনও বিশবাঁও জলতলে। একথা কখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি, যে, ওই আশ্চর্য যানের ঘোড়ারা কারা। এ ভিনগ্রহী ঘোড়ারা কি মূলতঃ অন্তর্ঘাতী, ব্যর্থ বিপ্লব প্রচেষ্টার পর যারা গা ঢাকা দেয় গোপন কন্দরে? নাকি উদ্ধত হয়গণ বাঁচেই এক বিকল্প জীবনাচরণে, স্রেফ ভালবেসে স্বেচ্ছা প্রব্রজ্যায় চলে যায় এই সুরে, বহুদূরে। এই অশ্বখুরের দাপাদাপি কি এক রাজনৈতিক প্রকল্প, এ হ্রেষাধ্বনি কি এক সাঙ্গীতিক উপপ্লবের সংকেতচিহ্ন? নাকি এসব স্রেফ পরতে পরতে কবিতা আর সব-হারানোর-বেদনা-মাখা বিষণ্ণতার গান, যাদের ‘ভালোবাসি’ উচ্চারণের আগে অব্যর্থভাবে জুড়ে থাকে ‘হায়’। এ ভালবাসার প্রকরণ কি প্রিলুডের সিম্ফনিক শৃঙ্খলায় বাঁধা, নাকি ‘ভালো লাগেনা’র হাহাকার, ইমপ্রোভাইজেশন আর স্বত্ঃস্ফূর্ততায়?
মহীনের গানই বা কোনগুলো, সে রহস্যও ঘনঘোর। আমরা যারা গুরু ও চণ্ডাল, বচ্ছরভর লেখালিখি নামক আগাছা ও ফলমুলের চাষাবাদ করি, বইমেলায় ইতিউতি উঁকি মারি, যারা ফালতু ঝগড়ায় জড়াই আর অকারণে ঝাড়ি বাকতাল্লা, তারা সেসবও জানি। খেউড় আর কোঁদল, পুকুরপাড়ের কলহে চিল্লাতে চিল্লাতে, কেউ বিশ্বাস না করলেও, মাইরি, আমাদেরও ঘেন্না হয়, কষ্ট হয়, বাথরুমে ঢুকে আমরাও গান গাই। উগরে দিই, ক্রোধ, বিরক্তি, বিষণ্ণতা। চানঘরের সেই ঘেন্নার গান নব্বইয়ের হলেও মহীনেরই কিনা এ রহস্যের অবশ্য কোনো সমাধান নেই। আমরা অবশ্য মহীন ভেবেই গাই, কিন্তু আমাদের উগরে দেওয়া অস্তিত্বের কোন গান মহীনের, কোন গান মহীনের নয়, সে আরেক প্রশ্নচিহ্ন। বীজমন্ত্রের মতো যা রচিত হয়েছিল সত্তরের সেই আদিম আস্তাবলে, গূঢ় সাধনার কমিউনে বাঁধা সেই গানগুলিই কি ‘আসল’ মহীন, মালিকানাহীনতাই যার স্বাক্ষর? নাকি আনপড় পাবলিক যে গানগুলিকে ‘মহীন’ বলে চেনে, নব্বইয়ের দমকা হাওয়ায় দক্ষিণ খোলা জানলা দিয়ে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত’ হয়ে যারা ঢুকে এল ঘরে, তারাও মহীনই? এর শিল্পীরা, আদি ঘোড়া না হলেও, অন্তত টাট্টু পদবাচ্য কি, মহীনের ইচ্ছেডানার উত্তরাধিকার নিয়ে যারা কেউকেউ পক্ষীরাজ হয়ে উড়ে যাবে ভবিষ্যতে? 
আমরা এও জানি এসবের উত্তর হয়না। ও ভাবে ছক কেটে সৃষ্টিরহস্যের সমাধান করা যায়না। আমরা যারা নিজেদের চণ্ডাল বলি, যারা বইমেলায় স্টল বাগিয়ে বসি, যারা গুরুচণ্ডা৯র বিস্তীর্ণ নেট চারণভূমিতে চরে খাই, এ টুকু আমাদের অন্তত বিলক্ষণ জানা আছে, যে, অজস্র ক্যাচাল, আর কোটিকোটি উড়ন্ত শব্দের বৃষ্টির মধ্যে কীভাবে গজিয়ে ওঠে একখানা ড্যান্ডিলায়ন, তার রহস্যোন্মচনের চেষ্টা আহাম্মকি মাত্র। সৃষ্টিরহস্যের এসব কূটকচালি, ফ্র্যা ঙ্কলি, আমাদের অনধিগম্য। আমরা নিজেরাই জানিনা আমরা কারা। কারা গুরু কারাই বা চণ্ডাল? যারা এক আড়ালহীন কমিউনিটিতে, নেট মহল্লায় সতত সঞ্চরমান? যারা প্রেসে দৌড়য়? যারা বইমেলায় বসে? যারা সম্পাদনা করে? যারা পাঠক? কোথায় সীমারেখা আমরা জানিনা। আমরা জানিনা, কোথা থেকে গজিয়ে ওঠে শিল্প, কীভাবে ‘অন্য মহীন’ নামক একটি পুঁচকি পুস্তিকা থেকে আমাদেরই মগজে জন্ম নেয় ‘অ(ন)ন্য মহীন’এর আইডিয়া। আমরা জানিনা, নদী তুমি কোথা হইতে আসিয়াছ। আমরা জানিনা কারা ঘোড়া, কীভাবে জন্ম নেয় গান, কীভাবে তৈরি হয় মিথ আর মায়া। প্রশ্নগুলো থেকে যায় শুধু সমুদ্রের বুকে আখাম্বা লাইটহাউসের মতো। 
বলাবাহুল্য, আমরা যারা সম্পাদনা করেছি এই বই, তারা মহীন সংক্রান্ত এসব কূট প্রশ্নের উত্তর জানিনা। যদিও তিনটি টুকরোয় বাঁধা হয়েছে এই বইকে, কিন্তু এই সব টুকরো-টাকরা, সেসব বাইরের বাঁধাছাঁদা মাত্র, আমাদের সম্পূর্ণ প্রতীতি আছে, এই বইয়েও এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। মহীনের ঘোড়াগুলিকে আমরা দেখেছি গুরুচণ্ডা৯র মতই এক খোলা কমিউনিটি হিসেবে, যা খামখেয়ালি, এবড়োখেবড়ো, কিঞ্চিৎ এলোমেলো এবং বোধগম্য সকল স্ট্রাকচারের অতীত, অথচ যাকে নাড়াচাড়া করলেই কোনো না কোনো বিন্দু থেকে আলো এসে কখনও চোখ ঝলসে দেয়, কখনও বা সে আলো ছটফটে, কখনও বিষণ্ণ, কখনও মোলায়েম। এই বইটিও, অবিকল তাই। নিজ দায়িত্বে যে যা খুশি লিখেছেন, প্রায় কাঁচিহীন এই বইয়ে ভিন্নমত আছে, আলাদা ভঙ্গি আছে, পুনরাবৃত্তি আছে, দৃষ্টিকোণের কাটাকুটি আছে। 
এ বস্তু আদতে এবড়ো খেবড়ো, কিন্তু নাড়াচড়া করলেই নানা প্রান্ত থেকেই নানা সুর বেজে ওঠে।
পরিকল্পনা থেকে প্রকাশ পর্যন্ত এই লম্বা যাত্রার শেষে আমরা কেবল এইটুকুই বলতে পারি। এ যাত্রা অবশ্য এখনও শেষ হয়নি, বহু লেখা এখনও বাকি, যে কারণে এটি ‘অ(ন)ন্য মহীন’এর প্রথম পর্ব মাত্র। কারণ মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পর্কে বাকি সবকিছু এখনও অজানা। কারণ সেই অজানা উড়ন্ত যানটিকে সত্তরের পর আর দেখা যায়নি, তার রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু কেউ নেই শূন্যতা। সমস্ত রহস্য নিয়ে ব্ল্যাকবাক্সোটি শুধু শুয়ে আছে, কোনো এক চৈত্রের কাফনে, ঝরা ফুলগুলি বসন্তের গান শোনাচ্ছে তাকে, দশকের পর দশক ধরে। আপাতত এই বইও সেই বহমান গানেরই অংশ। 
- সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় 
-------

'আমরা সেদিন চটজলদি গান বানিয়ে বানিয়ে গাইছিলাম, মণিদার (গৌতম) হাতে ছিল গিটার, বুলাদার হাতে বাঁশি আর এব্রাহামের ভায়োলিন, আমি বোধ হয় ট্যামবুরিন হাতে বসেছিলাম – গানের মধ্যে একটা কথা ব্যবহার করলাম – ব্রহ্মশাপ।

করিস ক্যানে মনস্তাপ
পায়ে জড়ায় ব্রহ্মশাপ
ব্রহ্মসাপের দুধকলা
আধেক মারল সতীনাথ আর
বাকি আধেক উৎপলা।
সবাই আমোদ করছি – দীপক দেবাশিসকে ডেকে বললেন – এর লাইনগুলো টুকে রাখা দরকার – এখানে আজ একইসঙ্গে বাংলা গানের আদ্যশ্রাদ্ধ আর সাধভক্ষণের অনুষ্ঠান হচ্ছে। দেবাশিস একটু ভুরু তুলতেই দীপক জানালেন, ব্রহ্মসাপের হাঁচি বেদেয় চেনে।'

- রঞ্জন ঘোষাল

--------

" ... যন্ত্রানুষঙ্গে মহীন; কেন অন্য মহীন? ২/১টা বাহুল্য (হয়তো) কথায় আসা যাক। বাংলা সমকালীন আধুনিক গানে প্রথম ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ ব্যবহার করেছিল ইলেকট্রিক বেস/বাস গিটার। আজ ৪০ বছর পর এই যন্ত্র অপরিহার্য যন্ত্রানুষঙ্গ বলে বিশ্বাস করা হয়। ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ শাঁখ ব্যবহার করেছিল, বিভিন্ন স্কেলের, যেখানে হারমোনিক্সের একটা মূর্ছনা তৈরি হয়। যন্ত্রানুষঙ্গে ধ্বনির নবতরঙ্গ বুলা (প্রদীপ)-এর বাঁশিতে। বাঁশের বাঁশিতে জল ঢুকিয়ে একটা নতুন শব্দের ব্যবহার আর কোথাও আজও শুনিনি/দেখিনি। গলার স্বরকে (voice) কীভাবে যন্ত্রানুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করা যায়? ১৯৭৭-র ‘সংবিগ্ন পাখিকুল ও কলকাতা বিষয়ক’ ই পি ডিস্কে মনিদা'র লিড ভয়েস ছিলো ‘দিন চলে যায়’ গানটায়। সম্পূর্ণ গানটায় ভয়েস হারমোনি ছিল আমার আর ভানুর। (ভয়েস হারমোনি মানে কিন্তু শুধুই octave চড়ানো নয়, সুরের সমাস-সন্ধি।) ..."

*****************************
সূচীপত্র

ভূমিকা সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় ৬
প্রাচীন ঘোড়াদের হ্রেষাধ্বনি:
অন্য মহীন তাপস (বাপি) দাস ১০
আমাদের মহীন জীবন প্রদীপ (বুলা) চট্টোপাধ্যায় ২৭
আশমানি আলখাল্লার কাহিনি: মহীনের প্রথম পর্ব রঞ্জন ঘোষাল ৩৪
প্রিয় মণিদার স্মরণে এব্রাহাম (আবু) এব্রাহাম মজুমদার ৩৯
মেট্রো স্টেশনের নাম ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ বিশ্বনাথ (বিশু) চট্টোপাধ্যায় ৪২
নাকতলায় আসর বসেছে এখনও রাজা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪৪

টাট্টু, পেগাসাস ও অন্যান্য অজানা উড়ন্ত বস্তুরা:
মহীন ও আমি হিরণ মিত্র ৪৮
গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ দেবজ্যোতি মিশ্র ৫৬
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ – মিথ ও মিথোজীবিতার গল্প জয়জিৎ লাহিড়ী ৭১
সুরকার গৌতম সুব্রত ঘোষ ৭৭
হ্রেষাধ্বনি দিব্য মুখোপাধ্যায় ৮৬
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ – অজানা উড়ন্ত সিম্ফনি গৌরব চট্টোপাধ্যায় ৯৩
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ – হয়ে ওঠা কিংবদন্তী কল্লোল ৯৫
অন্য মহীন ডঃ হর্ষ দাশগুপ্ত ১০৬
পথে-প্রান্তরে রঞ্জন প্রসাদ ১১৬
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ – নিয়নিক স্তব্ধতাকে ছুঁয়ে শান্তনু রায় ১১৯
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র কথা এবং সুর উৎকল মহান্তি
(অনুবাদঃ সৌপর্ণ অধিকারী) ১২১
প্রসঙ্গ ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ সোবার্স চট্টোপাধ্যায় ১২৫
ব্যক্তিগত, তাই রাজনৈতিক সুমন্ত ১৩৪

খুরের ছাপ:
শুরুর সময় ১৩৮
মহীনের ঘোড়াগুলি দীপক মজুমদার ১৩৯
বাউল-জ্যাজ মহীনের ঘোড়াগুলি ১৪১
মহীনের ঘোড়াগুলির হ্রেষাধ্বনি ১৪২
ক্ষ্যাপার মন বৃন্দাবন (অংশ) দীপক মজুমদার ১৪৪
স্নায়ুতন্ত্রী নির্ভর অভিজ্ঞতা ১৪৫
পাগলাঘোড়া / ঘোড়ার ডিম দীপঙ্কর চক্রবর্তী ১৪৭
মহিনী গান রঞ্জন ঘোষাল ১৪৯
কী ফুল ঝরিল ১৫১
মায়া রহিয়া গেল ১৫৩
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র প্রকাশিত গান নয়টি ১৫৬
নান্টু কা টান্টু শান্তনু রায় চতুর্থ প্রচ্ছদ

Write a review Your Name:


Your Review: Note: HTML is not translated!

Rating: Bad           Good

Enter the code in the box below: